mental health

অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্রের জন্য চাই পারস্পরিক শেখার সংস্কৃতি

‘স্পিড মেন্টরিং’ শব্দটির সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল না। ২০১৮ সালের অক্টোবরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত শোয়ার্জম্যান-রোডস সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণের সময় আয়োজকেরা যখন আমাকে কয়েকজন তরুণ স্কলারকে মেন্টরিং করার অনুরোধ করেন, তখনই প্রথম এ ধারণার সঙ্গে পরিচিত হই। এক ঘণ্টার মধ্যে চারজন স্কলারের সঙ্গে ১৫ মিনিট করে আলাপ ছিল একটি অর্থবহ অভিজ্ঞতা। তাঁদের মধ্যে তিনজন তখন শিক্ষার্থী এবং […]

অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্রের জন্য চাই পারস্পরিক শেখার সংস্কৃতি Read More »

অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ চাইলে আগে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে

এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য একটি কোর্সে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে সেশন নিয়েছিলাম। বিষয় কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যহীন আচরণ। শুরুতেই অংশগ্রহণকারীদের অনেকে নিজ জীবনের গল্প বললেন। শৈশব-কৈশোরে গায়ের রং, উচ্চতা, ওজন ইত্যাদি নিয়ে কটু মন্তব্য শোনা থেকে শুরু নানা ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হয়েছেন। এই অভিজ্ঞতা কীভাবে তাঁদের মনঃকষ্টের কারণ হয়েছে, কখনোবা আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরিয়েছে, সেই বিষয়টিও আলোচিত

অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ চাইলে আগে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে Read More »

সাপের বাচ্চা মারলে মানবশিশুদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে

“পিটিয়ে মারা হলো রাসেলস ভাইপারের আটটি বাচ্চা”(প্রথম আলো, ২৩ জুন ২০২৪) শিরোনামে খবরটি পড়ে অস্ট্রেলীয় আদিবাসী গল্প “গুপালি”র কথা মনে পড়ল। গুপালি নামে এক মাকড়সা দেবতা মানুষের বেশ ধরে এক গ্রামে এসেছিলেন। এর আগে একটি গাছের মরা বাকলের নিচে ছিল তাঁর বাসা। মানুষের সৃষ্ট আগুনে তাঁর ঘর পুড়ে গিয়েছিল। নিজে প্রাণে বাঁচলেও সে আগুনে তাঁর

সাপের বাচ্চা মারলে মানবশিশুদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে Read More »

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিশোর-কিশোরীদের রক্ষা

যুক্তরাষ্ট্রের সার্জন জেনারেল বিবেক মূর্তি। তাঁর দায়িত্ব জনস্বাস্থ্য বিষয়ে জাতিকে দিকনির্দেশনা দেওয়া। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অল্প বয়সীদের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পরামর্শ দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন (মে, ২০২৩)। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৩-১৭ বছর বয়সী ৯৫ শতাংশ কিশোর-কিশোরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে; তাদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি বলেছে, তারা প্রায় সারাক্ষণ এই

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিশোর-কিশোরীদের রক্ষা Read More »

নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ: ভিত্তিটা হোক শৈশবেই

সম্প্রতি ঢাকার এক ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের বিজ্ঞাপনে চোখ আটকে গেল। দুজন ছাত্র গণিত এবং রোবোটিকস শিখছে আর একজন ছাত্রী ভায়োলিন বাজাচ্ছে। এই ছবি দেখে শিশুরা কী ধারণা পাবে? তাদের কি মনে হবে না যে সংগীত মেয়েদের জন্য আর গণিত ও রোবোটিকসের মতো বিষয় শুধু ছেলেদের জন্য? কিন্তু বিষয়টা মোটেই তা নয়। বিজ্ঞাপনটি জেন্ডার স্টেরিওটাইপের একটি

নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ: ভিত্তিটা হোক শৈশবেই Read More »

চাই সব মানুষের জন্য সব ভাষার সাহিত্য

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য সাহিত্যের বই ব্রেইলে প্রকাশ করছে ‘স্পর্শ’। বাংলাদেশে পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্যান্য বই পড়ার সুযোগ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের (স্পর্শ যাঁদের দৃষ্টিজয়ী বলে অভিহিত করে) নেই বললেই চলে। তাই স্পর্শের উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা প্রায় ১৫০টি বই ব্রেইলে প্রকাশ করেছে। স্পর্শের প্রধান উদ্যোক্তা নাজিয়া জাবীন জানান, ‘১৬ বছর ধরে আমরা বলে আসছি, প্রতিটা বই ছাপায়, ব্রেইলে ও অডিওতে

চাই সব মানুষের জন্য সব ভাষার সাহিত্য Read More »

শিশুদের জন্য খেলার মাঠগুলো রক্ষা করতে হবে

স্ক্রিনে অতিরিক্ত সময় কাটানো এবং নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন শিশুদের জন্য ক্ষতিকর।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য স্ক্রিন টাইম ও বসে থাকা কমানো, পর্যাপ্ত ঘুম ও সক্রিয় খেলায় বেশি সময় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। এক বছর বয়স পর্যন্ত স্ক্রিন টাইমের (টেলিভিশন বা ভিডিও দেখা, কম্পিউটারে গেম খেলা) কোনো প্রয়োজন নেই। দুই থেকে

শিশুদের জন্য খেলার মাঠগুলো রক্ষা করতে হবে Read More »

আরবান ৯৫, নগর–নকশা ও শিশুর বিকাশ

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে লোগান ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য খেলার স্থান আছে বেশ কয়েকটি। দেয়ালে শিশুসাহিত্যের জনপ্রিয় চরিত্র আঁকা। বইগুলো থেকে কিছু বাক্য, লেখক ও অলংকরণশিল্পীর পরিচিতিও আছে। বাংলা ভাষার শিশুসাহিত্য অনেক সমৃদ্ধ। সেগুলো নিয়ে বিমানবন্দরে বা অন্যান্য স্থানে এই উদ্যোগ নেওয়া যায়। এর ফলে শিশুরা নানা বই ও চরিত্রের সঙ্গে পরিচিত হবে, গল্পগুলো পড়ায় আগ্রহী হয়ে

আরবান ৯৫, নগর–নকশা ও শিশুর বিকাশ Read More »

বিরোধীর স্বাধীনতাটাই স্বাধীনতা সাব্যস্ত হোক

হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের ডিন মাঝেমধ্যে নাশতা বা দুপুরের খাবারের সময় ছাত্রছাত্রীদের সময় দেন। সাধারণত সাত–আটজন শিক্ষার্থীর একটা দল ডিনের অফিসে গিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে পারে। কয়েক মাস আগে দুপুরের খাবার খেতে খেতে ডিনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হলো। এ ধরনের আলোচনায় কোনো নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা থাকে না। ছাত্রছাত্রীরা তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এমন যেকোনো বিষয়

বিরোধীর স্বাধীনতাটাই স্বাধীনতা সাব্যস্ত হোক Read More »

Scroll to Top