শিশুদের শাস্তি নিয়ে বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলির উত্তর

শিশুরা যাতে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি ছাড়া অহিংস পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে সেজন্য বিশ্বের অনেক দেশে সেভ দ্য চিল্ড্রেন কাজ করে যাচ্ছে। সবক্ষেত্রে শাস্তি নিষিদ্ধ করে আইন প্রণয়ন, ইতিবাচক প্যারেন্টিং বিষয়ে মা-বাবার দক্ষতা বৃদ্ধি, শাস্তির কুফল নিয়ে সামাজিক সচেতনতা ইত্যাদি নিয়ে নানা উদ্যোগ আছে। 

বিভিন্ন দেশে যখন আমরা শিশুদের শাস্তি বন্ধের জন্য মা-বাবা, শিক্ষকসহ সমাজের সবার সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করি তখন বেশ কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। যেমন কেউ কেউ বলেন, অনেক মা-বাবাকে প্রতিকূল পরিবেশে সন্তানদের বড় করতে হয়, মাত্রাতিরিক্ত ছাত্রছাত্রী ও প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব থাকায় প্রায়ই শিক্ষকদের চাপের মধ্যে থাকতে হয়। এসব কারণে তারা শাস্তির প্রয়োগ করেন। 

বেশিরভাগ সময়ই শাস্তির ঘটনা ঘটে বয়স্কদের ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনের হতাশা থেকে। বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে আরো উপকরণ ও সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু বড়রা জটিলতার সম্মুখীন হলে শিশুদের মারধর করা কখনোই উচিত না। আমাদের জীবনে কোন সমস্যা থাকলে আমরা বয়স্ক কাউকে শাস্তি দেই না। তাহলে শিশুদের ক্ষেত্রে তা মেনে নেয়া হবে কেন?

গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ টু এন্ড অল করপোরাল পানিশমেন্ট অফ চিল্ড্রেন এবং সেভ দ্য চিল্ড্রেন শিশুদের শাস্তি নিয়ে বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে তিনটি বুকলেট প্রকাশ করেছে। বড়দের পাশাপাশি শিশুদের উপযোগী করে উত্তর দেয়া হয়েছে; এছাড়া বিদ্যালয়ে শাস্তি নিষিদ্ধ নিয়েও আছে একটি বুকলেট। 

২০১৮ সনে বাংলায় বুকলেটগুলি বাংলায় অনুদিত এবং প্রকাশিত হয়। ঢাকায় সেভ দ্য চিল্ড্রেনের অফিসে একটি অনুষ্ঠানে মোড়ক উন্মোচন করেন সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যবৃন্দ। এরপর শিশু সুরক্ষা প্রোগ্রামের কর্মীরা (যারা ইতিবাচকভাবে সন্তান পালন বিষয়ে প্রশিক্ষক) কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেন। স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে শাস্তির ক্ষতিকর প্রভাব এবং ইতিবাচকভাবে সন্তান পালন নিয়ে আলোচনা হয়। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top